← Inspiration
tilknytning

এড়িয়ে চলা সংযুক্তি — অন্যদের দূরত্বে রাখা

3 min read

এড়িয়ে চলার সম্পর্ক — অন্যদের দূরত্বে রাখা

ভাবুন তো, আপনি এমন একজনের সাথে দেখা করলেন যে দেখতে একদম পারফেক্ট। কথাবার্তা ভালো চলছে, আকর্ষণও আছে — তারপরও আপনার মনের মধ্যে একটা ছোট্ট আওয়াজ বলছে: একটু দূরত্ব রাখো। হয়তো হঠাৎ করেই তার মধ্যে ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছেন। হয়তো ঠিক যখন সে কাছে আসতে চায়, তখনই অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। অথবা হয়তো কোনো কারণ ছাড়াই নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন। এই কথাগুলো যদি পরিচিত মনে হয়, তাহলে জানবেন আপনি একা নন — আর আপনার মধ্যে কোনো সমস্যাও নেই। সম্ভবত আপনার মধ্যে এড়িয়ে চলার সম্পর্কের ধরন আছে।

এড়িয়ে চলার সম্পর্ক কী?

সম্পর্কের তত্ত্ব প্রথমে তৈরি করেছিলেন মনোবিজ্ঞানী জন বোলবি, পরে মেরি আইনসওর্থ এটি আরও উন্নত করেছেন। এই তত্ত্ব বলে যে, ছোটবেলায় যারা আমাদের যত্ন নিয়েছে তাদের সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা আমাদের বাকি জীবনে অন্যদের সাথে সম্পর্কের ধরন তৈরি করে — বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে। এই ধরনের একটি প্যাটার্নকে বলা হয় এড়িয়ে চলার সম্পর্ক।

যাদের এই ধরনের সম্পর্কের স্টাইল আছে, তারা সাধারণত শিখেছে যে নিজের উপর ভরসা করাই নিরাপদ। হয়তো প্রয়োজনের সময় কেউ আবেগের দিক থেকে পাশে ছিল না। হয়তো দুর্বলতা দেখালে উদাসীনতা পেয়েছে — এমনকি সমালোচনাও। ফলে গভীরে একটা বিশ্বাস তৈরি হয়েছে: অন্যদের উপর সত্যিকারে ভরসা করা যায় না, আর একটু দূরত্ব রাখাই ভালো।

এর মানে এই নয় যে ঘনিষ্ঠতার ইচ্ছে নেই। বরং উল্টো। যাদের এড়িয়ে চলার সম্পর্কের ধরন আছে, তারা অনেকেই গভীর সম্পর্কের জন্য আকুল থাকে — কিন্তু ঘনিষ্ঠতাকে স্বাধীনতা আর নিয়ন্ত্রণের জন্য হুমকি মনে হয়।

দৈনন্দিন জীবনে এটা কীভাবে দেখা যায়?

এড়িয়ে চলার সম্পর্ক অনেকভাবে প্রকাশ পায়। কেউ কেউ আবেগের দিক থেকে সরে যায় যখন সঙ্গী বেশি ঘনিষ্ঠতা চায়। অনেকে নিজের অনুভূতি অনুভব করার বদলে সেটা মাথা দিয়ে বিশ্লেষণ করে। কেউ কেউ সঙ্গীর ত্রুটি আর সীমাবদ্ধতায় বেশি ফোকাস করে — অজান্তেই এটা কারো প্রেমে পড়ার বিরুদ্ে একটা সুরক্ষা।

একটা ক্লাসিক প্যাটার্ন দেখা যায় যখন সঙ্গী উদ্বিগ্ন টাইপের হয়: একজন যত বেশি কাছে আসার চেষ্টা করে, অন্যজন তত দূরে সরে যায়। এই চক্রটা খুবই কষ্টকর হতে পারে দুই পক্ষের জন্যই।

পরিবর্তন কি সম্ভব?

হ্যাঁ, অবশ্যই। প্রথম ধাপ হলো নিজের প্যাটার্ন চেনা আর বোঝা। যখন বুঝতে পারবেন কেন আপনি দূরত্ব তৈরি করেন, তখন আস্তে আস্তে সেই প্যাটার্ন পরিবর্তন করা শুরু করতে পারবেন। ছোট ছোট পদক্ষেপে নিজের অনুভূতি শেয়ার করুন। সঙ্গীর ভালো দিকগুলোতে মনোযোগ দিন। আর মনে রাখবেন, ভালো সম্পর্ক সময় আর ধৈর্যের ব্যাপার।

পেশাদার সাহায্যও খুব কাজে দেয়। একজন দক্ষ থেরাপিস্ট আপনাকে

Talk to AIA about this

AIA knows these theories and can help you understand them in your own situation.

Open AIA →